
জুম্মা মোবারক মেসেজ আজ পবিত্র জুম্মা মোবারক জুম্মা মোবারক এস এম এস পবিত্র জুম্মা মোবারক ছবি
জুমু’আর দিনের পাঁচটি বৈশিষ্ট্য: ১, এই দিনে আদম (আ:)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে। ২, এই দিনে আল্লাহ্ তা’আলা আদম (আ:)-কে দুনিয়াতে নামিয়ে দিয়েছেন। ৩, এই দিনে আদম (আ:) মৃত্যুবরণ করেছেন। ৪, এই দিনে এমন একটি সময় রয়েছে, যে সময়ে হারাম ছাড়া যে কোন জিনিস প্রার্থনা করলে আল্লাহ তা প্রদান করেন। ৫, এই দিনে কিয়ামত সংঘটিত হবে। তাই আসমান, যমীন ও আল্লাহর সকল নৈকট্যশীল ফেরেশতা জুমু’আর দিনকে ভয় করে। (ইবনে মাজাহ্, মুসনাদে আহমদ)
জুম’আর সালাতে তিন ধরনের লোক হাজির হয়। (ক) এক ধরনের লোক আছে যারা মসজিদে প্রবেশের পর তামাশা করে, তারা বিনিময়ে তামাশা ছাড়া কিছুই পাবে না। (খ) দ্বিতীয় আরেক ধরনের লোক আছে যারা জুম’আয় হাজির হয় সেখানে দু’আ মুনাজাত করে, ফলে আল্লাহ যাকে চান তাকে কিছু দেন আর যাকে ইচ্ছা দেন না। (গ) তৃতীয় প্রকার লোক হল যারা জুম’আয় হাজির হয়, চুপচাপ থাকে, মনোযোগ দিয়ে খুৎবা শোনে, কারও ঘাড় ডিঙ্গিয়ে সামনে আগায় না, কাউকে কষ্ট দেয় না, তার দুই জুম’আর মধ্যবর্তী ৭ দিন সহ আরও তিনদিন যোগ করে মোট দশ দিনের গুনাহ খাতা আল্লাহ তায়ালা মাফ করে দেন।” (আবু দাউদঃ ১১১৩)
জুম্মার দিন খুৎবা শুনা ওয়াজিব। দয়া করে, খুৎবার সময় কথা বলবেন না। জুম’আর খুৎবা দুইটি, মনে রাখবেন।
জুম্মার দিন হল গরিবদের জন্য হজ্জ। এই দিনে অনন্য দিনের চেয়ে আলেদা একটা আনন্দ থাকে। কারণ, সবাই একসাথে মসজিদে সালত আদায় করি।
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে এ মর্মে হাদিস বর্ণিত হয়েছে যে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো শরিয়তসম্মত কারণ ছাড়া জুমার নামাজ বর্জন করবে, তার নাম মুনাফিক হিসেবে এমন দপ্তরে লিপিবদ্ধ হবে, যা মুছে ফেলা হবে না এবং পরিবর্তন ও করা যাবে না। (তাফসিরে মাজহারি ,খণ্ড : ৯ , পৃষ্ঠা : ২৮৩)
জুম্মা মোবারক মেসেজ আজ পবিত্র জুম্মা মোবারক জুম্মা মোবারক এস এম এস পবিত্র জুম্মা মোবারক ছবি
জুমার নামাজ ফরজ হয় প্রথম হিজরিতে। রাসূলুল্লাহ (সা.) হিজরতকালে কুবাতে অবস্থান শেষে শুক্রবার দিনে মদিনা পৌঁছেন এবং বনি সালেম গোত্রের উপত্যকায় পৌঁছে জোহরের ওয়াক্ত হলে সেখানেই তিনি জুমার নামাজ আদায় করেন। এটাই ইতিহাসের প্রথম জুমার নামাজ।
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি জুমুয়ার দিন সূরা কাহফ পড়বে তার দুই জুমুয়ার মধ্যবর্তী সমগ্র সময় জুড়ে তার ওপর আল্লাহর জ্যোতি বর্ষিত হতে থাকবে”। [নাসায়ী, বাইহাকী]
জুম্মার রাতে বা দিনে মৃত্যু-বরণকারী|| রাসুল (স) এরশাদ করেছেন, “যে মুসলমান জুম্মার দিন অথবা রাতে মৃত্যুবরণকরে, আল্লাহ পাক তাকে কবরের ফেতনা (কবরের আযাব) থেকে রেহাই দান করবেন।”.(আহমদ ও তিরমিযী শরীফ) হে আল্লাহ ,অমাদেরকে আপনি পবিত্র জুম্মার দিন বা রাতে মৃত্যু দান কর, যেন কবরের আযাব অমাদেরকে স্পর্শকরতে না পারে-(আমীন)