Uncategorized

ক্যাবল কারের তার ছিঁড়ে মাঝ আকাশে আটকে পড়লো ৬ স্কুল পড়ুয়া

  প্রতিনিধি ২২ আগস্ট ২০২৩ , ১১:৩১:০২

শেয়ার করুন

মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা। ক্যাবল কারের তার ছিঁড়ে মাঝ আকাশে আটকে পড়লো পাকিস্তানের ছয় স্কুলপড়ুয়া। ওই ক্যাবল কারে চেপেই নিয়মিত স্কুলে যায় পড়ুয়ারা। খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের দুর্গম পার্বত্য এলাকায় ১২০০ ফুট উঁচুতে বিপজ্জনকভাবে ঝুলতে থাকে শিশুরা। ক্যাবল কারে আটকে থাকা গুলফরাজ পাকিস্তানের টেলিভিশন চ্যানেল জিও নিউজকে ফোনে বলেছে, সেইসময়ে আটজন আরোহী ছিলো ।

ঘটনার খবর পেয়েই ওই এলাকায় পৌঁছয় পাক সেনাবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার। ক্যাবল কারের ভেতর থেকেই সাহায্যের জন্য চিৎকার করতে থাকে শিশুরা। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা মাঝপথে আটকে ছিলো তারা। অবস্থা এতটাই খারাপ যে, একজন শিশু ভয়ে অজ্ঞান হয়ে যায় ।পাকিস্তানের জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী থেকে শুরু করে সেনা-সকলেই আটকে পড়া ক্যাবল কার থেকে যাত্রীদের উদ্ধারের চেষ্টা করছে। তবে দুর্গম পার্বত্য এলাকায় বিপজ্জনকভাবে ঝুলছে ক্যাবল কারটি। তার নাগাল পাচ্ছেন না উদ্ধারকারীরা।

বাসিন্দারা উপত্যকাজুড়ে আশেপাশের কর্মকর্তাদের সতর্ক করার জন্য মসজিদের লাউডস্পিকার ব্যবহার করে।

বিজ্ঞাপন

প্রাদেশিক রেসকিউ এজেন্সির একজন প্রবীণ কর্মকর্তা আব্দুল বাসিত খান এএফপিকে বলেন, ক্যাবল কারটি একটি দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এখানে আটকে থাকা আটজন যাত্রীর মধ্যে সকলেই স্কুলপড়ুয়া।
স্থানীয় টেলিভিশনে দেখানো চিত্র অনুসারে, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার ঘটনাস্থলে আসার পরে প্রায় ৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে অপারেশন চালিয়েছিলো । পাকিস্তানের ১১২২ রেসকিউ সার্ভিসের একজন কর্মকর্তা জুলফিকার খান এএফপিকে বলেন, “ক্যাবল কারটি এমন জায়গায় আটকে আছে যেখানে হেলিকপ্টার ছাড়া সাহায্য করা প্রায় অসম্ভব।”

পাহাড় দ্বারা বেষ্টিত একটি গভীর গিরিখাতের মাঝখানে এটি ঝুলছে, এই ক্যাবল কারগুলি প্রায়শই প্রত্যন্ত গ্রাম এবং শহরগুলির সাথে সংযোগ স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয়। খাইবার পাখতুনখাওয়া (কেপি) প্রাদেশিক কর্মকর্তা সৈয়দ হাম্মাদ হায়দার বলেছেন, ক্যাবল কারটি মাটি থেকে প্রায় ১,০০০ থেকে ১২০০ ফুট উপরে ঝুলছে। তিনি বলেন, আমরা কেপি সরকারকে একটি হেলিকপ্টার দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছি কারণ হেলিকপ্টারের সাহায্য ছাড়া উদ্ধার কার্যক্রম সম্ভব নয়।”

সূত্র : এনডিটিভি


শেয়ার করুন