বিনোদন

আমিরাতের সিনেপ্লেক্সে আবারো ফিরছে বাংলা সিনেমা

  প্রতিনিধি ২২ নভেম্বর ২০২৩ , ৩:২৭:১৫

0Shares

শেয়ার করুন

 

 

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাস করেন বহু বাংলাদেশি। তাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা হলে বসে দেশের সিনেমা দেখতে চান। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশিরা হলে বসে সিনেমা দেখতে পারলেও সম্ভব হয় না আমিরাত প্রবাসীদের। আমিরাতে অন্যান্য দেশের সিনেমা যেভাবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে আছে, হলে দেখার সুযোগ না থাকায় বাংলাদেশি সিনেমা নিয়ে দর্শকদের উন্মাদনা এখানে চোখে পড়ে না। তবে এবার দেশের সঙ্গে মিল রেখে একই দিন বাংলাদেশের চলচ্চিত্র আমিরাতের মাটিতেও প্রবাসীদের জন্য রিলিজ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে নীহারিকা মমতাজ প্রোডাকশন্স।

নীহারিকা মমতাজ প্রোডাকশনের উদ্যোগে ও মিডিয়া মেজ-এর সহযোগিতায় আমিরাতের সিনেপ্লেক্সে আবারো ফিরে আসছে বাংলা সিনেমা। আগামী ৮ ও ৯ ডিসেম্বর অমিতাভ রেজা পরিচালিত ‘রিক্সা গার্ল’ প্রদর্শনীর মাধ্যমে এই নতুন প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে। ইবন বতুতা মল-এ নভো সিনেমা ও দেরা সিটি সেন্টারের ভক্স সিনেমায় দেখা যাবে সিনেমাটি। টিকিট পাওয়া যাবে ভেন্যুতে এবং q-tickets.com এ।

মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) দুবাইয়ের স্থানীয় একটি রেস্টুরেন্ট বল রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এর ঘোষণা দেন বিখ্যাত জুয়েলারি ডিজাইনার ও বাংলা আর্ট উইক-এর কর্ণধার নীহারিকা মমতাজ।

সহযোগী হিসেবে থাকছে আমিরাতে প্রথম বাংলা ছবি পরিবেশনা প্রতিষ্ঠান মিডিয়া মেজ এর প্রতিষ্ঠাতা ও আমিরাত ভিত্তিক সাংস্কৃতিক সংগঠন ইয়ুথ বাংলা কালচারাল ফোরামের প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার আহমেদ ইখতিয়ার পাভেল। আর আমিরাতে এই ছবি পরিবেশনে পরামর্শক হিসেবে আছেন রেশ রাজ ফিল্মের প্রতিষ্ঠাতা কৃশনান রাজারান।

নীহারিকা মমতাজ জানান, বাংলা আর্ট ও কালচার কে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেয়া তার একটা স্বপ্ন এবং কেবল বাংলা ছবি পরিবেশনার মাঝেই তা সীমাবদ্ধ না। তিনি ভবিষ্যতে দুবাই এ বার্ষিক বাংলা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, ফিল্মফেয়ার মত আন্তর্জাতিক মানের পুরস্কার অনুষ্ঠান ও ছবির শ্যুটিং এর আয়োজন করতে আগ্রহী।

উল্লেখ্য ইতিপূর্বে ২০১৭ থেকে ২০১৯ সালের মাঝে দুবাই ভিত্তিক মিডিয়া মেজ ও কানাডাভিত্তিক স্বপ্ন স্কেয়ারক্রোর মাধ্যমে আমিরাতের সিনেপ্লেক্সগুলোতে মুক্তি পেয়েছিল পরবাসিনী, নবাব, ঢাকা অ্যাটাক, দেবীর মত হিট বাংলা ছবি। এরপর আর আসেনি বাংলা সিনেমা।

মিডিয়া মেজ এর প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার আহমেদ ইখতিয়ার পাভেল সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জানান, আমিরাতে তথা মধ্যপ্রাচ্যে বাংলা ছবির প্রদর্শন নিঃসন্দেহে অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক উদ্যোগ হতে পারে এবং এর মাধ্যমে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনের এক নতুন ক্ষেত্র তৈরি হবে। যদিও বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা বিদ্যমান যা আমেরিকা, কানাডা কিংবা অস্ট্রেলিয়ায় ছবি পরিবেশনের ক্ষেত্রে নেই। এসব বাধা দূর করার ব্যাপারে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন ও এ ব্যাপারে বাংলাদেশের পরিচালক প্রযোজকদের সহযোগিতা কামনা করেন।

 


শেয়ার করুন

0Shares