প্রতিনিধি ৮ জুন ২০২৪ , ৮:১০:৫৪
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, গত ৬ জুন জাতীয় সংসদে শেখ হাসিনা সরকারের অর্থমন্ত্রী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেছেন। এই বাজেট অর্থনেতিক সংকটকালে গণমুখী ও বাস্তবসম্মত। শনিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এই বাজেট পরিমিত, বাস্তবসম্মত, গণমুখী, সাহসী, নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ভারসাম্যমূলক বাজেট উপহার দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ সংকট থাকা সত্ত্বেও গত দেড় দশকে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ এখন বাংলাদেশ। শুধু ডাল-ভাতে নয়, দেশ এখন পুষ্টি উৎপাদনেও স্বয়ংসম্পূর্ণ।
তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ৪০ শতাংশ লোককে দারিদ্র্যসীমার নিচে রেখে গেছে। শেখ হাসিনা সরকার ১৮ শতাংশে আর অতিদরিদ্র ৬ শতাংশে নামিয়ে এনেছে। বাংলাদেশে এখন শুধু ডালে ভাতে নয়, পুষ্টি উন্নয়নে স্বয়ংসম্পূর্ণ
এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, অনেকের হাতের গোপন টাকা উদ্ধার করতে বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে অন্যায় ও অবৈধ কাজের শাস্তি মওকুফের সুযোগ নেই। অপ্রদর্শিত অর্থ মূল ধারা অর্থাৎ ব্যাংকে আনার ব্যবস্থা করতে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ।
অপর এক প্রশ্নে জবাবে তিনি বলেন, বাজেট বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ আছে স্বীকার করি।
সে চ্যালেঞ্জ অতিক্রমের জন্য কাজ শুরু করেছি। অনেক চ্যালেঞ্জের মতো এই চ্যালেঞ্জও অতিক্রম করবো। দ্রব্যমূল্য, ডলার সংকট, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা- এসব বিষয়ে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার।
বাজেট নিয়ে বিএনপির প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে সেতুমন্ত্রী বলেন, ১৫ বছর আগের সঙ্গে উন্নয়ন-অর্জনে এখনকার বাংলাদেশের আকাশ-পাতাল পার্থক্য। বিএনপি বড় বড় কথা বলে। অর্থ পাচার, কালো টাকা, দেশকে গিলে ফেলার কথা বলে। তাদের সবশেষ বাজেট ছিল ৬৮ হাজার কোটি টাকা। আর পাঁচবার দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন, যাদের নেতারা দুর্নীতিবাজ, তারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে কর্মসূচি দেবে- এটা বছরের সেরা জোক।