প্রতিনিধি ২ এপ্রিল ২০২৬ , ৯:২৮:১৬

সংবাদ:
পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলায় পূর্ব শত্রুতার জেরে এক যুবককে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের সশস্ত্র একটি দল। নিহত ইমরান হোসেন সোহাগ (২৫) স্থানীয়ভাবে ছাত্রদল এবং জিয়া সাইবার ফোর্স–এর সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাত আনুমানিক সোয়া ১০টার দিকে ঈশ্বরদী শহরের সাঁড়া গোপালপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইমরান ওই এলাকার একটি চায়ের দোকানের সামনে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় হঠাৎ করে প্রতিপক্ষের একটি সশস্ত্র দল সেখানে এসে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে পালিয়ে যায়।
নিহত ইমরান হোসেন সোহাগ ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল মন্নবীপাড়া গ্রামের এনামুল হকের ছেলে। তিনি উপজেলা জিয়া সাইবার ফোর্স শাখার সদস্য সচিব এবং ছাত্রদলের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এছাড়া তিনি রাজনৈতিকভাবে বিএনপি সংশ্লিষ্ট একটি পক্ষের সমর্থক ছিলেন বলেও জানা গেছে।
ঘটনার সময় হামলাকারীরা কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে পাবনা থেকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ঈশ্বরদী সার্কেল) প্রণব কুমার জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পূর্ব শত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। নিহতের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং গুলি ও কুপিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। ঘটনাটি তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে বলে তিনি জানান।
এদিকে জিয়া সাইবার ফোর্স কেন্দ্রীয় কমিটি এ হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে।

















